Status

গুলশান-বনানীর ব্যবসায়ীরা অতিষ্ঠ ছাত্রলীগ-ভুয়া মিডিয়ার দৌরাত্ম্যে

<p>রাজধানীর অভিজাত এলাকা গুলশান-বনানী ডিপ্লোমেটিক জোন। যেখানে বসবাস করে বিদেশি নাগরিকসহ রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ অতিথিরা। অভিজাত এসব এলাকায় নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে অসুদপায়ে লাইসেন্স নিয়ে গড়ে তোলা হয়েছে অভিজাত পাঁচ তারকা হোটেলসহ বেশ কয়েকটি বার ও স্পা, মিনিবার ও লাউঞ্জের মত প্রতিষ্ঠান।</p>
<p><br />অভিজাত এসব এলাকায় নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে অসুদপায়ে লাইসেন্স নিয়ে গড়ে তোলা হয়েছে অভিজাত পাঁচ তারকা হোটেলসহ বেশ কয়েকটি বার ও স্পা, মিনিবার ও লাউঞ্জের মত প্রতিষ্ঠান।<br />অভিযোগ উঠেছে, সম্প্রতি এসব স্পা ও মিনিবারে প্রতিনিয়ত শৃঙ্খলা পরিপন্থি কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের বেশ কিছু নেতা-কর্মী।</p>
<p><br />খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গুলশান শাখা ছাত্রলীগের সাবেক নেতা এনায়েত গুলশান-২ মোড়ে কিং ফিসার বারের একই বিল্ডিং নিয়েছেন লাইসেন্সবিহীন অবৈধ স্পা সেন্টার। স্পা সেন্টারের আড়ালে প্রতারণার অভিযোগও রয়েছে। পুরো গুলশানজুড়ে অবৈধ স্পার সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করেন এনায়েত ও তার সহযোগী মোহন, বিজয় পাল, ফরহাদ ,আলাউদ্দিন, শাওনসহ অনেকে।</p>
<p> </p>
<p>ভূঁইফোঁড় বিভিন্ন পত্রিকার কার্ড দেখিয়ে নিজেকে সাংবাদিক দাবি করেন বলে অভিযোগ রয়েছে এনায়েতের বিরুদ্ধে। চাঁদাবাজি করার জন্য এসব মিডিয়া ও সিন্ডিকেট হোয়াটসঅ্যাপ-মেসেঞ্জার গ্রুপ ব্যবহার করে থাকে। গুলশান জোন নামের একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের মাধ্যমে এসব কার্যক্রম পরিচালিত হয় বলে জানিয়েছে ভুক্তভোগীরা।</p>
<p><br />এ বিষয়ে গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহমুদুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, ‘চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে আমরা সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।’</p>
<p><br />ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের গুলশান-বনানী এলাকার দায়িত্বপ্রাপ্ত একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বলেন, 'আমরা এ সমস্ত অবৈধ প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে যাচ্ছি।'</p>

Source link

Back to top button