বে টার্মিনাল নিয়ে সুখবর শিগগিরই -চট্টগ্রাম বন্দর চেয়ারম্যান

আগামী মাসেই বে টার্মিনালের বিষয়ে একটা সুখবর পাওয়া যাবে বলে আশা করছেন বন্দর চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এসএম মনিরুজ্জামান। গতকাল বৃহস্পতিবার বন্দরের শহীদ মো. ফজলুর রহমান মুন্সী অডিটোরিয়ামে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এ আশাবাদ জানান তিনি। তিনি বলেন, বে টার্মিনাল হবে বাংলাদেশের গেম চেঞ্জার। এটি বাস্তবায়িত হলে বন্দরের হ্যান্ডলিং ক্ষমতা তিনগুণ বৃদ্ধি পাবে। বন্দরনগরী যানজটমুক্ত হবে। ডিপিপি আগামী মাসের মাঝামাঝিতে অনুমোদন পাবে আশাকরি। এরপর বিশ^ব্যাংকের সাথে ঋণচুক্তি হবে। এরপর ঠিকাদার নিয়োগ করা হবে। আশা করা যায় কম সময়ের মধ্যে বে টার্মিনাল চালু হবে। যত দ্রুত বে টার্মিনাল করতে পারবো ততই দেশের লাভ।
বন্দর চেয়ারম্যান বলেন, বন্দরকে কোনোভাবে বাধাগ্রস্ত করা যাবে না। ইউএসএর আইএসপিএস টিম অডিট করে নিরাপত্তাসহ সার্বিক বিষয়ে সন্তোষ জানিয়েছে। এবার কোনো অবজারভেশন ছিল না। উন্নত দেশের গ্রিন বন্দর পুরোপুরি অটোমেটেড। আমাদের কার্গো গ্রোথ ৭-১০ শতাংশ। ২০৩০ সালে ৫ মিলিয়ন টিইইউস হ্যান্ডেল করতে হবে। সিস্টেমের ভেতরে পরিবর্তন আনছি। ওভার ফ্লো ইয়ার্ড গড়ে তুলতে হবে। আমরা চেষ্টা করছি ১৯টি অফডককে আরও কার্যকর করতে। কাস্টমসের সঙ্গে আমদানি ক্ষেত্রে অ্যাসাইকুডা ওয়ার্ল্ডের বিপজ্জনক কার্গো অপসারণ করেছি। ১২০টি রেফার (শীততাপ নিয়ন্ত্রিত) কনটেইনার নয় মাস প্লাগ ছিল, সেগুলো ধ্বংস করা হয়েছে। বিদেশি মেইন লাইন অপারেটর ধন্যবাদ জানিয়েছেন। এ ধরনের কাজ গত ১০-১৫ বছরে হয়নি। সেটা ৩-৪ মাসে করতে পেরেছি। ১০ হাজার নিলামযোগ্য কনটেইনার পড়ে আছে। ইনভেন্ট্রি হচ্ছে। এ জায়গা খালি হলে বন্দরের সক্ষমতা আরও অনেক বেড়ে যাবে। তিনি গণমাধ্যমের সঠিক সংবাদের জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, আমরা মনে করি মিডিয়া বন্দরের একটি অঙ্গ। আমাদের দুর্বলতা থাকা স্বাভাবিক। আমরা উত্তরণের চেষ্টা করছি। আমরা দেশের স্বার্থে যা করার সর্বাত্মক চেষ্টা করছি। এর সুফল দেশবাসী পাবে। আমাকে নিয়ে রিপোর্ট করলে দেশের ভেতর থাকবে। কিন্তু বন্দরের নেতিবাচক খবর সারা বিশ্বে পৌঁছে যায়। বন্দরের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। তিনি বলেন, রেলের ইঞ্জিনের সংকট রয়েছে। পণ্যবাহী গাড়ির স্থানীয় কর্মবিরতির কারণেও সমস্যা হয়েছে। কমলাপুর আইসিডিমুখী কিছু কনটেইনার জমে গেছে। পানগাঁওতে জাহাজের ভাড়া নির্ধারিত ছিল। আমরা মনে করি ভাড়া নির্ধারণ করবে বাজার। তাই আমরা ভাড়া উন্মুক্ত করে দিয়েছি। পৃথিবীর অনেক ভালো কোম্পানি পানগাঁও ব্যবহার করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। ব্যবসাবান্ধব, প্রতিযোগিতামূলক বন্দর করতে আমরা পিছপা হচ্ছি না। অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম বন্দরের কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

Source link

Exit mobile version